Click Here

Bollywood
Showing posts with label Bangla Health Tips. Show all posts
Showing posts with label Bangla Health Tips. Show all posts

মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি থেকে নিজেকে বাঁচান।

মোবাইল ফোন আমাদের একটি অতি প্রয়োজনীয় ডিভাইস তা আমরা নিঃসন্দেহে বলতে পারি। বলতে গেলে আমাদের জীবনের একটি অংশ হয়ে গেছে এই ডিভাইসটি। মোবাইলের ব্যবহার দিনে দিনে বেরেই চলেছে। মোটামুটি আমরা অনেকেই জানি মোবাইল ফোন অতিরিক্ত ব্যবহারে আমাদের ক্ষতি হয়। কিন্তু কি ক্ষতি হয় তা কয়জন জানি? হাতে গোনা কয়েকজন জানি এর ক্ষতিকর প্রভাব গুলো। হাতে গোনা কয়েকজনও জানা সত্ত্বেও মোবাইল ফোন ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকতে পারেনা প্রয়োজনের তাগিদে। আসুন জেনে নেই কিভাবে এবং কি কি ক্ষতি করে আমাদের সকলের প্রয়োজনীয় এই ডিভাইসটি।

যে উপাদান দ্বারা
ক্ষতি হয়ঃ
মোবাইল
ফোন ব্যবহারের সময় বার্তা আদান প্রদানের সময় ফোন থেকে নির্গত তেজস্ক্রিয় রশ্নির বা রেডিয়েশনের (Radiation) প্রভাবে মানব দেহের ক্ষতি হয়ে থাকে। সবাই কানে অর্থাৎ মাথার পাশে ফোন ধরে কথা বলি। কথা বলার সময় মোবাইল থেকে নির্গত রেডিয়েশন মস্তিষ্কেরে কোষগুলোর সংস্পর্শে চলে আশে। ফলে মস্তিষ্ক তথা দেহের অনন্যা অংশেও প্রভাব পড়ে নানা ধরনের স্বাস্থ্য ঝুকির সৃষ্টি হতে পারে।
রেডিয়েশন
কিভাবে কাজ করে?
মৌলিক
কিছু কর্মকাণ্ড সম্পন্ন করার প্রয়োজনে প্রতিটি মোবাইল ফোনকেই কিছু পরিমাণে বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তা তথা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন(Electromagnetic Radiation) নির্গত হয়। মোবাইল ফোন রেডিও ওয়েভ বা বেতার তরঙ্গের মাধ্যমে সিগনাল প্রেরণ করে। এই রেডিও ওয়েভ আছে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি এনার্জি, যা আসলে এক ধরনের বিদ্যুৎচৌম্বকিয় তেজস্ক্রিয়তা।
রেডিয়েশন
বা তেজস্ক্রিয়তার উৎস কোথায়?
আমরা
যখন মোবাইল ফোনে কতা বলি তখন ফোনের ট্রান্সমিটারটি আমাদের মুখ থেকে নির্গত শব্দকে গ্রহণ করে সেটিকে ধারাবাহিক সাইন ওয়েভে সংকেতায়িত করে। সাইন ওয়েভ হচ্ছে একধরনের অনির্দিষ্ট দৈর্ঘ্যবিশিষ্ট তরঙ্গ যেটি ফোনের এন্টেনা থেকে নির্গত হয়ে ইথারে প্রবাহিত হয়। সাইন ওয়েভকে মাপা হয় ফ্রিকোয়েন্সি দিয়ে। ফ্রিকোয়েন্সি হচ্ছে একটি তরঙ্গ কত বার উঠা নামা করে তারই হিসাব। আমাদের মুখ থেকে নিঃসৃত শব্দকে সাইন ওয়েভে রাখা হয়, তখনই ট্রান্সমিটার সিগনাল বা সঙ্কেতকে এন্টেনার কাছে প্রেরণ করে, এন্টেনা আবার এই সিগনালকে অন্য প্রান্তে পাঠিয়ে দেয়।
রেডিয়েশন
বা তেজস্ক্রিয়তার কিছু কথাঃ
মোবাইল
ফোনের মধ্যে যে ট্রান্সমিটার থাকে সেগুলো বেশ কম শক্তির হয়ে থাকে। সেলফোন .৭৫ থেকে ওয়াট শক্তিতেই দিব্যি চলতে পারে। ফোনের নির্মাতাভেদে এর ভেতরে ট্রান্সমিটারের অবস্থান বিভিন্ন জায়গায় হতে পারে; তবে সাধারনত এটি ফোনের এন্টেনার খুব কাছাকাছি থাকে।


  সংকেতায়িত সিগনালকে প্রেরণ করার দায়িত্ব যে বেতার তরঙ্গের, সে তরঙ্গ গঠিত হয় এন্টেনা থেকে নির্গত বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তা বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন দিয়ে। এন্টেনার কাজ হচ্ছে বেতার তরঙ্গকে শূন্যে ছড়িয়ে দেওয়া। মোবাইল ফোনের ক্ষেত্রে এসব তরঙ্গকে গ্রহণ করা বা রিসিভ করার দায়িত্ব হচ্ছে মোবাইল ফোনের টাওয়ারে স্থাপিত একটি রিসিভারের।
বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তা কি আছে ?
বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তা আছে বৈদ্যুতিক চৌম্বকীয় শক্তির তরঙ্গ যা চলাফেরা করে আলোর গতিতে। সকল বিদ্যুৎচৌম্বকীয় শক্তিই Electromagnetic Spectrum এর রেঞ্জ বা পরিধির মধ্যে অবস্থান করে। এই রেঞ্জের মধ্যে কম শক্তির ফ্রিকোয়েন্সির শক্তি যেমন আছে তেমন আছে এক্সরে এবং গামারে মত শক্তিশালী ফ্রিকোয়েন্সি।
বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তার ধরনঃ
বিদ্যুৎচৌম্বকীয় তেজস্ক্রিয়তা বা ইলেক্ট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন দুই ধরনের হতে পারে। যথাঃ
.আয়োনাইজিং রেডিয়েশন (Ionizing Radiation)
.নন- আয়োনাইজিং রেডিয়েশন (Non-Ionizing Radiation)

.আয়োনাইজিং রেডিয়েশনঃ
রেডিয়েশনে এমন মাত্রায় বিদ্যুৎচৌম্বকীয় শক্তি আছে যা থেকে অনু-পরমাণুকে বিচ্ছিন্ন করতে এবং মানবদেহের রাসায়নিক বিক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। আয়োনাইজিং রেডিয়েশন এর উধারন হচ্ছে এক্সরে এবং গামারে।
. নন- আয়োনাইজিং রেডিয়েশনঃ
এই রেডিয়েশনকে নিরাপদ বা -ক্ষতিকারক বলা যায়। থেকে উষ্ণতার সৃষ্টি হয় বটে, তবে তা দেহকোষের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতি করার মত কিছু নয়। রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি শক্তি, দৃশ্যমান আলো এবং মাইক্রোয়েভ রেডিয়েশনকে নন- আয়োনাইজিং রেডিয়েশন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।
মোবাইল ফোনে স্বাস্থ্য ঝুঁকি নিয়ে মত-বিমতঃ
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের ফুড অ্যান্ড ড্রাগ আডমিনিস্ট্রেশন (FDA) নানা ভাবে গবেষণা করার পর ঘোষণা করেমোবাইল ফোন থেকে স্বাস্থ্য ঝুঁকি হতে পারে এর তেমন কোন তথ্য পাওয়া যায় নি।এর মানে এই না যে মোবাইল ফোন থেকে স্বাস্থ্য হানি বা শারীরিক ক্ষতির সম্ভবনাকে উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। অতিমাত্রায় রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশনের কারণে মানব দেহের কোষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে এতে কোন সন্দেহ নেই।
মাইক্রোওয়েভ ওভেন যেমন খাবারকে গরম করে ঠিক একই ভাবে রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি রেডিয়েশন মানুষের দেহকোষকে উত্তপ্ত করে। কারণ মানুষের দেহ অতিমাত্রায় উত্তাপ সহ্য করারমত করে তৈরি হয় নি। বিশেষ করে রক্ত প্রবাহের স্বল্পতার কারণে আমাদের চোখ এর আশেপাশের এলাকা এই উত্তাপ থেকে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
মোবাইল ফোন আয়োনাইজিং রেডিয়েশন নন- আয়োনাইজিং রেডিয়েশন দুই ধরনেরই হতে পারে। আয়োনাইজিং রেডিয়েশন এর চেয়ে নন- আয়োনাইজিং রেডিয়েশনে ক্ষতির মাত্রও অনেক কম হলেও দীর্ঘ দিন ধরে এই রেডিয়েশন ঘটলে কি হয় বলা মুশকিল। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, একনাগাড়ে অনেক দিন এই রেডিয়েশন ব্যবহারের কারণে মানব দেহের উপর ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। মানুষ বর্তমানে যে হারে মোবাইল ফোন ব্যবহার করতেছে তাতে স্বাস্থ্য হানি হওয়াটা স্বাভাবিক।
মোবাইল রেডিয়েশনের সম্ভাব্য রোগসমূহঃ
*ক্যান্সার (Cancer)
*ব্রেইন টিউমার (Brain tumors)
*আলঝেইমার (Alzheimer's)
*পারকিনসন (Parkinson's)
*ক্লান্তি (Fatigue)
*মাথা ব্যথা (Headaches)
মোবাইল ফোনের সঙ্গে জরিত যত রোগের কথা পর্যন্ত উঠেছে তার মধ্যে ক্যান্সার ব্রেইন টিউমারই প্রধান। তবে ব্যাপারে অনেক গবেষণে চালিয়েও গবেষকরা পর্যন্ত কোন স্থির সিদ্ধান্তে উপনিত হতে পারেনি।
বিভিন্ন গবেষণাঃ
ডেনমার্কের এক দল প্রায় ২০ বছর ধরে লক্ষ ২০ হাজার ডনিশ নাগরিকের উপর গবেষণা চালানোর পর ২০০৬ সালে তারা ফল প্রকাশ করেতাদের গবেষণায় মোবাইল ফোন কান্সারের কোন সম্পর্ক পাওয়া যায় নি। আমরা জানি যে মোবাইল ফোন দেশ মহাদেশ ভিত্তিক তৈরি হয়। তার মধ্যে ধরা হয় ইউরোপ মহাদেশের জন্য যে মোবাইল ফোন গুলো তৈরি হয় তার গুনাগুন সবচেয়ে ভালো। তাই ডেনমার্কের গবেষকদের তথ্য সকলের জন্য নির্ভর যোগ্য নয়।
২০০৫ সালের সুইডিশ গবেষকদের একটি গবেষণা রিপোর্টে বলা হয়েছে যে, মোবাইল ফোন ব্যবহারে Glioma বা Meningioma (মস্তিস্কের টিউমার বিশেষ) হতে পারে এমন কোন তথ্য প্রমাণ পায় নি গবেষকরা। তবে দশ বছরের বেশি সময় ব্যবহার করলে কোন মস্তিস্কের টিউমার হবার সম্ভবনা আছে কিনা সে ব্যাপারে সন্দিহান তারা।
সুইডেনের ক্যারিলিওনস্কা ইন্সিটিউট- এর গবেষকরা মোবাইল ফোনের সঙ্গে ব্রেইন টিউমারের সম্পর্ক আছে কিনা তা নিয়ে গবেষণা চালান। গবেষণা শেষে তারা মন্তব্য করেনদশ বছর বা তার বেশি রিতিমত মোবাইল ব্যবহার করলে Acoustic Neuroma নামক ব্রেইন টিউমারের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। তবে ১০ বছরের কম সময় মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে এই টিউমার হবার কোন লক্ষন দেখা দেয় নি।

২০০৭ সালে Dr. Lenart Hardel নামক এক সুইডিশ গবেষক তার গবেষণা রিপোর্টে বলেনঅতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারকারীদের মধ্যে ক্ষতিকর তথা Malignant Tumor হবার আশঙ্কা বেশি থাকে। এছাড়াও মানুষ মাথার যে পাশে ফোন ধরে কথা বলে সেপাশে টিউমার হবার সম্ভবনা বেশি থাকে বলে জানান Dr. Hardel . শুধু তাই নয় টানা ১০ বছর ধরে প্রতিদিন এক ঘণ্টার বেশি মোবাইল ফোন ব্যবহার করলে টিউমারের আশঙ্কা অনেক বেড়ে যায় বলে অভিমত দেন Dr. Hardel .
এখনও বিভিন্ন দেশে এই নিয়ে গবেষণা চলছে।
যেভাবে নিরাপদ থাকতে হবেঃ
গবেষণা নিয়ে অনেক মতবাদ রয়েছে তার মধ্যে মোবাইল ব্যবহারে ক্ষতি হবার সম্ভবনা আছে বলে বেশির ভাগ গবেষকদের ধারনা। যেহেতু মোবাইল একটি খুব প্রয়োজনীয় ডিভাইস তাই এটা ব্যবহার করতেই হবে। তাই নিরাপদ থাকার জন্য কিছু নিয়ম মানতে হবে। অস্ট্রিয়া, ফ্রান্স, জার্মানি এবং সুইডেন ইত্যাদি দেশের তেজস্ক্রিয়তা সংক্রান্ত জাতীয় উপদেষ্টা কতৃপক্ষ মোবাইল ফোনের রেডিয়েশন থেকে নিরাপদ থাকার জন্য তাদের নাগরিকদের কিছু পরামর্শ দিয়ে থাকেন। এর মধ্যে রয়েছেঃ
*হ্যান্ডস-ফি মোবাইল ব্যবহার করতে হবে।
*মোবাইল ফোনকে যতটা সম্ভব শরীর থেকে দূরে রাখতে হবে।
*এক্সটারনাল এন্টেনা ছাড়া গাড়িতে মোবাইল ব্যবহার করা উচিত নয়।
*ঘুমানোর সময় মোবাইল মাথা থেকে দূরে রাখতে হবে।
*এক টানা দীর্ঘ সময় মোবাইলে কথা বলা উচিত নয়।
*বিল্ডিং এর ভিতরে যথা সম্ভব ফোনে কোন কথা বলা।
*যত টুকু সম্ভব বাহিরে বসে ফোনে কথা বলা ভালো।
*মোবাইল যতটা সম্ভব শিশুদের থেকে দূরে রাখা ভালো।
আসুন সকলে মোবাইল ফোন ব্যবহারে সচেতন হই অন্যকে সচেতন করি। এতে আমারাই বিপদ থেকে রক্ষা পাবো।

লেখাটি সর্বপ্রথমমৌমাছিতে প্রকাশিত।


ইন্টারনেট আসক্তি হয়ে পড়ে যারা ।


ইন্টারনেটের প্রতি আসক্তি অনেককে ক্ষতিগ্রস্ত করে।আর তাই প্রয়োজন একটি আর্টিকেল। এই আর্টিকেলটি আপনাকে ইন্টারনেট আসক্তি থেকে মুক্ত হতে সাহায্য করবে।
. যখনই আপনি ইন্টারনেট ব্যবহার করবেন : একটি নির্দিষ্ট সময় ব্যবহার করুন, কখনোই আজ ঘণ্টা কাল ঘণ্টা আর পরশু ঘণ্টা করলে চলবে না। অন্যভাবে বলতে গেলে, এমনটি বলবেন না যে, আজকে আমি কেবল ঘণ্টা ইন্টারনেটে কাটাব। তারপর একটানা - ঘণ্টা কম্পিউটারের সামনে বসে মনে মনে বলবেন, আমি আজকে মোটামুটি ভালো করেছি। প্রতিদিন ইন্টারনেট ব্যবহার করার জন্য ঘণ্টা যথেষ্ট, খুব প্রয়োজনে ঘণ্টা ব্যবহার করা যেতে পারে।
মনে রাখবেন, এই বিষয়ে সতর্ক না হলে আবারও ইন্টারনেট আসক্তির দাসে পরিণত হতে পারেন।
. যদি ঘড়ি আপনাকে সময়ের মাঝে বেঁধে রাখতে না পারে : তবে একটি Parental control সফটওয়্যার ডাউনলোড করতে পারেন, কিছু সফটওয়্যার সময় বেঁধে দেয়া (time lock) সমর্থন করে। আপনার বাসার অন্য কাউকে পাসওয়ার্ডটি সেট করতে বলুন যাতে করে শুধু জরুরি ক্ষেত্রেই আপনি এটিকে আনলক করতে পারেন, যখন ইচ্ছা তখন নয়।
. অপ্রয়োজনীয় অ্যাকাউন্টগুলো মুছে ফেলুন : কতগুলো এমন ওয়েবসাইট আছে যাতে আপনার অ্যাকাউন্ট রাখার কোনো দরকারই নেই? ফেসবুক, মাইস্পেস, টুইটার, ইউটিউব কখনও কখনও ফেসবুক বা টুইটার অ্যাকাউন্ট প্রয়োজন হতে পারে এমন বন্ধু বা আত্মীয়দের সঙ্গে যোগাযোগ রাখতে যারা আমাদের কাছে নেই। তবে ইউটিউব, মাইস্পেস, গুগল প্লাস ইত্যাদি অ্যাকাউন্ট কেবল সময়ের অপচয়ই নয় বরং আসক্তিকরও বটে। এই অ্যাকাউন্টগুলোতে অনেক আলাপ হয়ে থাকে অপরিচিত লোকজনের সঙ্গে। তারপরও যদি অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলতে না চান তবে পেজগুলো ব্লক করে দিন।
. আপনার পেজগুলোও মুছে ফেলুন : শুধু সেই পেজগুলোই রাখুন যা আপনার কাজের জন্য দরকার (hgbÑhomework, office work েইত্যাদি) যদি ইউটিউব বা অন্যান্য অ্যাকাউন্ট এগুলোর জন্য নিতান্তই প্রয়োজনীয় না হয় তবে মুছে ফেলতে দ্বিধা বোধ করবেন না।
. অনলাইন কাজ ছাগা অনেকগুলো অফলাইন কাজ রাখতে ভুলবেন না : আপনি যাতে আনন্দ পান এমন অনেক কাজ করুন। যদি আপনার কোনো শখ না থাকে তাহলে আজই খুঁজতে শুরু করুন। এছাড়া অন্যকে সাহায্য করা বা সমস্যার সমাধান দেয়া একটা অন্যতম উপায়। এটা আপনার মানসিক শারীরিক উভয় দিকের খেয়াল রাখে।
. অনলাইন বা অফলাইনে থাকা সম্পর্কে সচেতন থাকুন : আপনি কি বুঝতে পারেন না যে কখন আপনি অতিরিক্ত অনলাইনে সময় কাটাচ্ছেন? যদি তাই হয়, আপনার সমস্যা আছে!
. আপনি জানেন যে ইন্টারনেট আসক্তি আপনার বাস্তবিক জীবনে মারাত্মক ক্ষতির কারণ হতে পারে : আপনাকে আপনার জীবনযাপন করতে হবে পুরোপুরিভাবে, কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে থেকে নয়। বিশ্বাস করতে পারেন যে প্রতিদিন ,০০০,০০০,০০০ মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করে। তথ্যটি অবিশ্বাস্য হলেও সত্য। আর গবেষক এবং ডাক্তাররা দেখিয়েছেন, কীভাবে প্রতিদিন মানুষ এতে আসক্ত হয়ে পড়ছে।
. তাই ইন্টারনেটকে আপনার জীবনে হস্তক্ষেপ করতে দেয়া বন্ধ করুন : এমন নয় যে আপনি পুরোপুরিভাবে একে ত্যাগ করবেন বা আর কোনোদিন ব্যবহার করবেন না, আপনাকে শুধু দেখতে হবে সঠিক সময়টি। জীবনের পূর্ণতাকে অনুভব করুন। বাইরে যান, বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দিন, আশপাশে ঘুরতে যান এবং প্রকৃতির সৌন্দর্যকে উপভোগ করুন। যা আপনার দৈহিক মানসিক উভয় দিক দিয়ে সাহায্য করবে।
. আপনি এখন তৈরি! আপনার নিত্যদিনের কাজ করুন সতেজতার সঙ্গে। তবে অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডিভাইস তথা ইন্টারনেট থেকে দূরে থাকবেন

বর্তমানে ইন্টারনেট ব্যবহারের প্রধান দশটি সমস্যা।

ইন্টারনেট আমাদের জীবন ব্যবস্থায় এনে দিয়েছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন। একটি পিসি ভালো গতির ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে শুধু বিনোদন নয়, ঘরে বসেই করা যাচ্ছে সম্মানজনক রুজি-রোজগারও। সঙ্গে একটি ক্রেডিট কার্ড থাকলে তো কেনাকাটাটাও ঘরে বসেই করে ফেলা যায়। এই যে এত সুযোগ-সুবিধা, দুনিয়াকে হাতের মুঠোয় এনে দেয়া, তারপরও কি অনলাইন দুনিয়ার সবকিছুই ভালো? মোটেও তা নয়। সত্যি বলতে কী, সুবিধার পাশাপাশি আমাদের জীবনে বিড়ম্বনাও কম বয়ে আনেনি ইন্টারনেট। দুনিয়াজুড়ে লাখ লাখ অনলাইন ব্যবহারকারীর মতামতের ওপর ভিত্তি করেলাইভবার্স’-এর সাজানো অনলাইনের সেরা দশ সমস্যার কথা রয়েছে এই প্রতিবেদনে।
আমাদের দেশে এখনও ইন্টারনেট ব্যবহারকারী খুবই কম, তবে তা দ্রুত বেড়ে চলছে। মূলত এই প্রতিবেদনটি সেসব নতুন ইন্টারনেট ব্যবহারকারী বা যারা অচিরেই ইন্টারনেট ব্যবহার করতে যাচ্ছেন, তাদের সতর্ক রাখার প্রয়াস।
নিয়ে লিখেছেন
heoun.blogspot.com


1. হ্যাকিং ডাটা সিকিউরিটি
আপনার ইন্টারনেট সংযোগ না থাকলেও হ্যাকিং সম্পর্কে নিশ্চয় শুনেছেন। ইন্টারনেট ব্যবহারের ফলে যে কোনো হ্যাকার আপনার পিসি অরক্ষিত অবস্থায় থাকলে আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডাটা এমনকি ব্যাংকিং তথ্যও হ্যাক করতে পারে। হ্যাক হয়ে যেতে পারে আপনার সাধের ইমেইল আইডি বা ফেসবুক অ্যাকাউন্ট। তবে আপনি নিজে সতর্ক থাকলে হ্যাকারদের এড়াতে পারেন বলেই সম্ভবত এই সমস্যাটিকে ব্যবহারকারীরা রেখেছে দশ নম্বরে।

2. প্রাইভেসি
মূলত সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলোতে প্রাইভেসি রক্ষা করা খুবই কঠিন। আপনি হয়তো বন্ধুদের শেয়ার করার জন্য কোনো ছবি বা আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য আপলোড করলেন, কিন্তু তা খুব দ্রুতই আপনার অজান্তে ছড়িয়ে পড়তে পারে লাখ লাখ ইউজারের কাছে। যদিও কিছু সতর্কতা অবলম্বন করলে থেকে আপনি রেহাই পেতে পারেন, তবে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো স্যোশাল নেটওয়ার্কিং সাইট যেমনব্লগ, ফেসবুক, ফোরাম, এসবে আপনার ছবি বা ব্যক্তিগত তথ্য, মোবাইল নাম্বার শেয়ার না করাই উত্তম।

3. ভাইরাস
না, তালিকার প্রথম সারিতে ভাইরাস বা ওয়ার্ম নেই। যদিও ভাইরাসের প্রজননস্থল হয়ে দাঁড়িয়েছে ইন্টারনেট। তবে বিশ্বস্ত সাইটগুলো ভিজিট করলে অনাকাঙ্ক্ষিত মেইল ওপেন না করলে ভালো এন্টি ভাইরাস সফটওয়্যার ব্যবহার করলে সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব।

4. যৌন হয়রানি
ব্যাপারটিও ঘটে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইট চ্যাট রুমগুলোতে। খুব ভদ্রভাবে আপনার সঙ্গে মিশবে, তারপর আপনার কিছু ব্যক্তিগত তথ্য বা ছবি হাতাবে, তারপর ওগুলো প্রচার করে দেয়ার ভয় দেখিয়ে আপনাকে ব্ল্যাকমেইল করা হবে। আমাদের দেশীয় অসংখ্য সাইট আছে যেগুলোতে প্রতিনিয়ত ধরনের প্রতারণা এবং ভুক্তভোগীদের ছবি ভিডিও প্রকাশ করা হচ্ছে এবং অনেক ক্ষেত্রে ভুক্তভোগী তা প্রথম প্রথম জানতেও পারছেন না।

5. অনলাইনে আসক্তি
ব্যাপারটা আর শুধু টিনেজদের মধ্যেই থেমে থাকেনি। বয়স্কদের মধ্যেও সমস্যাটি ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যস্ত অফিসের বড়কর্তা বা ব্যবসায়ীরাও চ্যাটিং, ব্লগিং বা অনলাইনে গেমস খেলে নষ্ট করছে ঘণ্টার পর ঘণ্টা সময়। নতুন ইউজারদের যতটা সম্ভব সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং সাইটগুলো এড়িয়ে চলাই ভালো। কারণ মূলত এই সাইটগুলোই অনলাইনে আসক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

5. প্রতারণা
দিন দিন অনলাইন প্রতারকদের অভয়ারণ্যে পরিণত হচ্ছে। নিত্যনতুন কৌশল অবলম্বনে প্রতারকরা জালিয়াতি করে যাচ্ছে। আপনি হয়তো অফিসের কোনো কাজে বা নিতান্ত শখের বশে একটি ইমেইল আইডি খুললেন। কিছুদিন পর দেখলেন আপনার কাছে মেইল এলো একটি অনলাইন ভিত্তিক লটারি সংস্থার। তারা জানাল, আপনি তাদের অনলাইন সিলেকশনে লাখ ডলারের লটারি জিতেছেন, এখন এগুলোর আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া পরিচালনার জন্য ১০০০ ডলার তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে হবে। অথবা সুদূর সিয়েরা লিওন থেকে কোনো তরুণী মেইল করল, তার বাবা ওই দেশের একজন মস্ত বড়লোক ছিল তাকে খুন করা হয়েছে। তার কোনো আত্মীয় ওই দেশে নেই। আপনাকে তার খুব ভালো লেগেছে তাই সে তার লাখ লাখ ডলার ব্যাংক থেকে আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠাতে চাচ্ছে এবং সে আপনার কাছে চলে আসতে চাচ্ছে। এজন্য তার হাজার দুয়েক ডলার প্রয়োজন। আপনি যদি এদের বিশ্বাস করেন তবেই ফেঁসেছেন। এমনভাবে তারা মেইল চালাচালি করবে যে পুরো ব্যাপারটিই আপনার কাছে বিশ্বাসযোগ্য মনে হবে। এমনি নানা উপায়ে অনলাইনে প্রতারকরা প্রতারণার জন্য ওঁত্ পেতে বসে আছে। তাদের কাছ থেকে বাঁচতে আপনাকে মনে রাখতে হবে, আপনি এমন কোনো ভাগ্যবান না যে লটারি বা অন্য কোনো উপায়ে রাতারাতি লাখ লাখ ডলার পেয়ে যাবেন। তাই জাতীয় মেইল এলে কোনো দ্বিধা ছাড়াই এড়িয়ে যাবেন।

6. ভুল তথ্য/প্রোপাগাণ্ডা
অনলাইনের সবচেয়ে বিরক্তিকর একটি দিক এটি। আপনি কোনো সফটওয়্যার বা ফাইল নামাতে চাচ্ছেন ফ্রিতে। সার্চ দিয়ে ফ্রি সাইট বের করলেনও। তারপর দেখবেন রেজিস্ট্রেশন চাচ্ছে। এরপর নানা বিরক্তিকর ধাপ পেরিয়ে শেষ পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ড চাইবে। অসংখ্য এমন সাইট আছে অনলাইনে। আবার কিছু সাইট আছে, ফাইল নামানোর পর দেখবেন তা নষ্ট। আবার প্রতিপক্ষ বা শত্রু শ্রেণীর কাউকে ঝামেলায় ফেলার জন্য উদ্দেশ্যমূলকভাবে ভুল প্রচারণা চালাতে ইন্টারনেট এক ধরনের লোকের প্রথম পছন্দ। এখানে যে কেউ লেখতে পারে, তার কথা শেয়ার করতে পারে এবং তা অন্যায় উদ্দেশ্যে প্রায়ই ব্যবহৃতও হচ্ছে। একবার বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার টমি হিলফিজার সম্পর্কে বলা হলোতিনি উপস্থাপক অপরাহ উইনফ্রে সম্পর্কে বর্ণবাদী মন্তব্য করেছেন। চেইন মেইলে লাখ লাখ ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর কাছে তথ্য পাঠানো হলো এবং বলা হলো তার তৈরি পোশাক বর্জন করার জন্য। অনেক দিন পর জানা গেল, ব্যাপারটা সম্পূর্ণ ভুয়া কিন্তু ততদিনে টমির ব্যবসায়িক ভাবমূর্তি পুরো শেষ।

7. কালোবাজার
যদিও আমাদের মতো দরিদ্র দেশে কপিরাইট আইন পুরোপুরিভাবে কার্যকর হওয়ার পক্ষে আমি নিজেও নই, তবু কিছু কথা থেকে যায়। নতুন একটি অডিও অ্যালবাম বের হলো বা সিনেমা বের হলো, এর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই তা অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ছে। ব্যবহারকারীদের জন্য এটি ভালো দিক, কারণ বিনামূল্যে সে ফাইলটি ডাউন লোড করতে পারছে। কিন্তু শিল্পী বা পরিচালকের জন্য চরম কষ্টকর এবং অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের কারণ। প্রতি বছর দুনিয়াজুড়ে অনলাইনের কারণে মিডিয়াগুলো হারাচ্ছে কোটি কোটি টাকার বাজার। এছাড়াও অনলাইনে ইদানীং বন্যপ্রাণী পাচার এমনকি মাদকদ্রব্য পাচারও হয়ে থাকে।

8. হয়রানি
সামাজিক যোগাযোগ সাইটগুলোর এটি আরেক সমস্যা। ছদ্মনামে থাকায় আপনি আপনার বন্ধুদের শনাক্ত করতে পারবেন না বেশিরভাগ সময়ই। তাদের সঙ্গে মেশার পর আপনার নানা তথ্য নিয়ে আপনাকে নানাভাবে হয়রানি করা হতে পারে।

9. শিশু পর্নোগ্রাফি
ভয়াবহ একটা ব্যাপার ধীরে ধীরে বেড়ে চলছে ইন্টারনেটের কারণে। সাম্প্রতিক এক জরিপে দেখা গেছে, অনলাইনের পর্নোগ্রাফির ২০ ভাগই চাইল্ড পর্নো। বিলিয়ন ডলারের এক শিল্পে পরিণত হওয়ায় এর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াটাও বেশ কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। এমনকি অ্যাডাল্ট সাইটগুলোতে বছরের শিশুরও নগ্ন ছবি ভিডিও আপলোড করা হচ্ছে প্রতিনিয়ত। এর ফলে একটি প্রজন্মকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে অন্ধকার ভবিষ্যতের দিকে
 
Copyright © 2013. Ten Listed - All Rights Reserved
Youtube